আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন,আজকের হাজির হয়েছি, আজকের আপনাদের জানাবো, অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে, তাহলে চলুন শুরু করা যাক। আজকের পোস্ট সম্পূর্ণ ভালোভাবে পড়লে আপনারা অনেক উপকৃত হবেন, আজকের পোস্টটি কয়েকটি পর্বের মাধ্যমে ভাগ করা হয়েছে, চলুন এবার দেখা যাক।

আপনি যদি কাজ না জানেন তাহলে কিভাবে আপনি কাজ শিখবেন এবং কোথা থেকে শিখবেন এবং আপনি কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করবেন যদি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে চান তাহলে অবশ্য আপনি সম্পূর্ণ পোস্ট মনোযোগ সহকারে পড়ুন তাহলে আপনার সবগুলো প্রশ্নের উত্তর পাবেন।

আপনি কিভাবে কাজ শিখবেন এই বিষয়টা নিয়ে আমরা আমাদের এই পোস্ট এর শেষের দিকে বলে দেব আপনি কিভাবে এবং কোথায় থেকে কাজ শিখবেন একদম ফ্রিতে।

ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম

আপনি চাইলে ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন তবে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টা আপনাকে জানতে হবে ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে করে ফ্রিল্যান্সিং এর টাকাটা কিভাবে আসে কোথা থেকে আসে

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে সর্বপ্রথম ফ্রিল্যান্সিং শিখতে হবে এবং ফ্রিল্যান্সিং শেখাটা আপনার জন্য হয়তো কিছুটা কঠিন হতে পারে

ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয় করা সেই কথা বলতে অনেক সহজ কিন্তু করা অনেক কঠিন ফ্রিল্যান্সিং কাজ অনেক ধরনের হয়ে থাকে প্রথমে আপনাকে বুঝতে হবে ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে কি কি কাজ আপনাকে শিখতে হবে

তবে যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং কাজ শিখে  ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে অবশ্যই আপনি ভালো পরিমানের আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক মানুষ অনেক টাকা ইনকাম করতেছে এবং আমি নিজেও একজন ফ্রিল্যান্সার

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করে টাকা ইনকাম

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করে টাকা ইনকাম করার কথা শুনে হয়তো আপনি অবাক হচ্ছেন অথবা আপনি ভাবছেন আপনি তো কখনো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করা দেখেননি অথবা আপনি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করতে পারবেন না এই কথাগুলো যদি আপনার মাথায় তাকে তাহলে আপনি এই চিন্তা বাদ দিয়ে আপনি এখন ভাবতে থাকুন কিভাবে আপনি একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করবেন এবং আপনি আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করবেন এই কথাগুলো আপনি ভাবতে থাকুন এবং আমাদের পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন যদি আমাদের এই পোস্ট আপনি পড়েন তাহলে আপনার মনে উৎসাহ আসবে ১০০% আপনিও অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করে ঘরে বসে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কিভাবে একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস একদম ফ্রিতে তৈরি করা যায় এবং সেই অ্যাপসটি কিভাবে আপনি google প্লে স্টোরে পাবলিশ করবেন এবং সেই অ্যাপস এ আপনি গুগলের অ্যাড বসিয়ে কিভাবে টাকা আয় করবেন সেইসব বর্ণনা করা আছে একটি পোস্ট এবং আপনি যদি ওই পোস্টে ভিজিট করেন তাহলে আপনি সম্পূর্ণ জানতে পারবেন আপনি কিভাবে একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করবেন এবং সেই অ্যাপস থেকে আপনি আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করবেন সেই বিষয় নিয়ে করা এই পোস্ট এর মাধ্যমে ভালো করে এক্সপ্লেইন করে লিখেছে এবং ওদের পোস্ট আমার খুবই ভালো লেগেছে তাই আমি আপনাদেরকে সাজেস্ট করছি ওই পোস্টে ভিজিট করার জন্য যদি আপনি ওই পোস্টে ভিজিট করেন তাহলে আপনি সহজে সবকিছু বুঝতে পারবেন।

দেখো আপনার হয়তো বিশ্বাস নাও আসতে পারে তবে একটি কথা জেনে রাখুন যদি বিশ্বাস না হয় আপনি কখনো জীবন যুদ্ধে জয়ী হতে পারবেন না আপনি হয়তো অনেকগুলো অ্যাপস গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করেছেন কিন্তু সেই অ্যাপস গুলো ওপেন করার পর কিছু অ্যাড আসে অ্যাড ছাড়া কোন অ্যাপস নেই আসার কারণ কি আপনি কি জানেন।

এই এড গুলো আসার একমাত্র কারণ হচ্ছে যারা এন্ড্রয়েড অ্যাপস টা ব্লক করে তাদের আয় করার জন্য কারণ যদি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডেভেলপ করে কোন আয় না থাকে তাহলে অযথা কেন এন্ড্রয়েড অ্যাপস ডেভেলপার এন্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করবে কারণ এখন বর্তমানে একটি অ্যাপস তৈরি করলে সেই অ্যাপস থেকে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারে তাই আপনি দেখুন প্লে স্টোরে গিয়ে হাজারো লাখো কোটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস পড়ে আছে যদি অন্য অ্যাপস ডেভেলপার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করে টাকা ইনকাম করতে পারেন তাহলে আপনি কেন পারবেন না এই কথাটি আপনি একবার চিন্তা করে দেখুন।

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে টাকা আয়

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে টাকা আয় করতে পারবেন আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে হয়তো আপনার একটু বেশি সময় লাগতে পারে।

YouTube চ্যানেল তৈরি করে আপনাকে ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করতে হবে এবং সবগুলো ভিডিও আপনার নিজস্ব হতে হবে কোন কপিরাইট অথবা কারো ভিডিও চুরি করে আপনার চ্যানেলে আপলোড করতে পারবেন না।

ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য আপনার চ্যানেলে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার হতে হবে এবং ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম কমপ্লিট করতে হবে এই মাইলস্টোন ক্রস করার পর আপনি মনিটাইজেশন অন করে আপনার চ্যানেলে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

YouTube চ্যানেল থেকে আপনি এক লক্ষ টাকার চেয়েও অনেক বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন হয়তো এক লক্ষ থেকে আপনি ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন কারণ এরকম অনেক ইউটিউবার আছে যারা পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত ১০ লাখ টাকা ও পর্যন্ত ইনকাম করেন অনেক চ্যানেল রয়েছে তবে আপনি যদি অনেক বেশি টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আপনার সাবস্ক্রাইবার অনেক বেশি লাগবে।

ওয়েবসাইট তৈরি করে টাকা ইনকাম

হয়তো আপনার মনে এই প্রশ্নটিই আসতে পারে সত্যি কি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায় ওয়েবসাইট তৈরি করে যদি এই প্রশ্নটি আপনার মনে থাকে তাহলে এই প্রশ্ন আপনার মাথা থেকে সরিয়ে ফেলুন। ১০০/% গ্যারান্টি আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করে ঘরে বসে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন তাহলে আপনি সেই ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করতে পারবেন এবং google AdSense এর এড বসিয়ে আপনি আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
এখন কথা হচ্ছে আমি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলাম এবং google এডসেন্স এর এড বসালাম এবং  ইনকাম হল কিন্তু google এডসেন্স আমাদেরকে টাকা দেবে কি না যদি এই প্রশ্ন আপনার মনে থাকে তাহলে আমরা বলব আপনার বিশ্বাস বলতে কিছুই নেই কারণ আপনি যেকোন জায়গায় গিয়ে গুগলের বিষয় নিয়ে সার্চ করে দেখুন অথবা যারা অনলাইন কাজ করে তাদের সাথে যোগাযোগ করে দেখুন ১০০% গ্যারান্টি গুগল আপনাকে টাকা দেবে google কখনো প্রতারণা করে না গুগল আপনাকে টাকা দেবে তবে আপনাকে গুগলের নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে।
আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন এবং সেই ওয়েবসাইট দিয়ে চাইলে আপনি আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং করে মাসে লক্ষ টাকার চেয়েও বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম

হে সত্যি ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করা যায় আপনিও চাইলে Facebook পেজ থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করা অনেক সহজ আপনি চাইলে ফেসবুক পেজ থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারেন।
ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করার কিছু অ্যালগরিদম রয়েছে অবশ্য আপনি যে কোন মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে যান না কেন তার কিছু না কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে আপনাকে সম্পূর্ণ নিয়ম-কানুন মেনে কাজ করতে হবে।
ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য বর্তমানে ফেসবুকের অ্যালগোরি দামে রয়েছে ত্রিশ হাজার ফ্লয়ার্স থাকতে হবে আপনার পেইজে যদি আপনার পেইজে ত্রিশ হাজার ফ্লওয়ারস থাকে তাহলে আপনি আপনার ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশন করে আপনি আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন তবে কিছুটা হলেও ইউটিউবের সাথে মিল রেখে ফেসবুকে ইনকাম করার সুযোগ দিয়েছে এবং আপনি যে ভিডিওগুলো আপলোড করবেন ফেসবুক পেইজে সেই ভিডিওগুলি আপনার নিজস্ব হতে হবে কারো ভিডিও চুরি করে এনে আপলোড করতে পারবেন না আপনি যদি কপিরাইট মেটেরিয়াল ইউজ করেন তাহলে আপনার পেজ মনিটাইজেশন করতে পারবেন না।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টাকা ইনকাম

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল অনলাইনে অর্থ উপার্জনের অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপায়। এবং এটি ফুল-টাইম ইনকাম করার একটি দুর্দান্ত উপায়।
কিন্তু এটা কিভাবে কাজ করে? এবং আপনি কিভাবে শুরু করতে পারেন,চলুন তা যানা যাক?কীভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কাজ করে এবং আপনি কীভাবে শুরু করতে পারেন তা দেখব।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল এক ধরনের পারফরম্যান্স-ভিত্তিক বিপণন যেখানে একটি ব্যবসা অ্যাফিলিয়েটের নিজস্ব মার্কেটিং প্রচেষ্টার দ্বারা আনা প্রতিটি দর্শক বা গ্রাহকের জন্য এক বা একাধিক অ্যাফিলিয়েটকে পুরস্কৃত করে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য অনলাইন খুচরা বিক্রেতাদের সাথে অংশীদারিত্ব করে কাজ করে। যখন একজন গ্রাহক অধিভুক্ত লিঙ্কগুলির একটিতে ক্লিক করেন এবং একটি ক্রয় করেন, তখন অধিভুক্ত একটি কমিশন উপার্জন করে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা কি কি?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের অনেক সুবিধা রয়েছে, যার মধ্যে নিম্নলিখিতগুলি রয়েছে:
  • এটি নিষ্ক্রিয়ভাবে আয় উপার্জন করার একটি দুর্দান্ত উপায়
  • এটি পণ্য এবং পরিষেবাগুলি প্রচার করার একটি দুর্দান্ত উপায়৷
  • এটি একটি শ্রোতা তৈরি করার একটি দুর্দান্ত উপায়৷
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অসুবিধাগুলো কি কি?
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কিছু অসুবিধা আছে যা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে, যার মধ্যে নিম্নলিখিতগুলি রয়েছে:
  • শুরু করা কঠিন হতে পারে
  • প্রচার করার জন্য ভালো অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে
  • আপনাকে আপনার অনুমোদিত লিঙ্কগুলিতে ট্রাফিক চালাতে সক্ষম হতে হবে
  • আপনি কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারেন?
আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে আগ্রহী হন তবে আপনাকে কিছু জিনিস করতে হবে:
একটি লিংক খুঁজুন: প্রথমত, আপনাকে ফোকাস করার জন্য একটি লিংক খুঁজে বের করতে হবে। এটি স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস থেকে প্রযুক্তি থেকে ভ্রমণের জন্য যেকোনো কিছু হতে পারে।
অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামগুলি খুঁজুন: একবার আপনি একটি লিংক নির্ধারণ করার পরে, আপনাকে প্রচার করার জন্য অনুমোদিত প্রোগ্রামগুলি খুঁজে বের করতে হবে৷ আপনি আপনার লিংক অধিভুক্ত প্রোগ্রামগুলি অনুসন্ধান করে বা একটি অনুমোদিত নেটওয়ার্কের জন্য সাইন আপ করে এটি করতে পারেন। আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কগুলিতে ট্র্যাফিক চালান: একবার আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কগুলি পেয়ে গেলে, আপনাকে সেগুলিতে ট্র্যাফিক আনতে হবে। আপনি পোস্ট লিখে, ভিডিও তৈরি করে বা সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার লিঙ্কগুলি প্রচার করে এটি করতে পারেন।
এসকল কিছু করলে লিংক যারা ক্লিক করে লোকজন যতো পণ্য কিনবে,আপনার ততো ইনকাম।

অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট করে টাকা ইনকাম

আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করে কিছু অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে চান, তাহলে আপনার ভাগ্য ভালো। কয়েকটি সহজ পদক্ষেপের মাধ্যমে, আপনি একটি Android অ্যাপ তৈরি করতে পারেন।
এজন্য আপনার প্রথম পদক্ষেপটি হল একটি অ্যাপের জন্য একটি দুর্দান্ত ধারণা নিয়ে আসা। এটি একটি সাধারণ খেলা থেকে শুরু করে একটি জটিল উত্পাদনশীলতা সরঞ্জাম পর্যন্ত যেকোনো কিছু হতে পারে। একবার আপনার একটি ধারণা হয়ে গেলে, আপনাকে আপনার অ্যাপের যে কিভাবে পরিকল্পনা শুরু করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন করা, কোড লেখা এবং অ্যাপ পরীক্ষা করা।
একটি সফল অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ইউজার ইন্টারফেস। ব্যবহারকারীরা এটি ব্যবহার করার সময় আপনার অ্যাপের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করবে, তাই এটিকে ভালভাবে ডিজাইন করা এবং ব্যবহার করা সহজ হতে হবে। একটি ব্যবহারকারী ইন্টারফেস ডিজাইন করার বিভিন্ন উপায় র য়েছে, তাই কিছু গবেষণা করা এবং আপনার অ্যাপের জন্য সেরা পদ্ধতি বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
ইউজার ইন্টারফেস সম্পূর্ণ হওয়ার পরে, কোড লেখা শুরু করার সময়। আপনি যদি অভিজ্ঞ প্রোগ্রামার না হন তবে এটি ভয়ঙ্কর হতে পারে, তবে আপনাকে সাহায্য করার জন্য অনেক সংস্থান উপলব্ধ রয়েছে। আপনার কোড সম্পূর্ণ হয়ে গেলে, এটি সঠিকভাবে কাজ করে তা নিশ্চিত করতে আপনাকে এটি পরীক্ষা করতে হবে। এখানেই বিটা পরীক্ষকরা অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে। তারা আপনার অ্যাপ ব্যবহার করতে পারে এবং তারা যে কোনো বাগ বা সমস্যার সম্মুখীন হয় সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া প্রদান করতে পারে।
একবার আপনার অ্যাপটি সম্পূর্ণ এবং পরীক্ষা হয়ে গেলে, এটি Google Play Store-এ জমা দেওয়ার সময়। এটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশানগুলির জন্য মার্কেটপ্লেস, এবং এটি যেখানে ব্যবহারকারীরা আপনার অ্যাপ্লিকেশানগুলি ডাউনলোড এবং ইনস্টল করতে পারে. আপনি আপনার অ্যাপ জমা দেওয়ার আগে, আপনার অ্যাপটি গ্রহণ করা হবে তা নিশ্চিত করতে নীতি এবং নির্দেশিকাগুলি পড়তে ভুলবেন না৷
একটি সফল অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করা কিছু অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের একটি দুর্দান্ত উপায় হতে পারে। সামান্য প্রচেষ্টা এবং পরিকল্পনার মাধ্যমে, আপনি আপনার অ্যাপ প্রকাশ করতে এবং ব্যবহারকারীদের জন্য প্রস্তুত করতে পারেন।
আপনি অনলাইন অ্যাপ ডেভেলপ করতে পারেন এবং তাদের মাধ্যমে আপনি টাকা উপার্জন করতে পারেন বা অ্যাপ বিক্রয় করতে পারেন।
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করা শুধুমাত্র আপনার কোডিং দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য নয় বরং আয়ের জন্য একটি অনন্য সুযোগ উপস্থাপন করে। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের বাজার বোঝার মাধ্যমে, বিকাশের সরঞ্জামগুলিতে দক্ষতা অর্জন করে এবং বিপণন কৌশল প্রয়োগ করে, আপনি আপনার অ্যাপের ধারণাগুলিকে আয়ের একটি টেকসই উৎসে পরিণত করতে পারেন।

By Jillu Miah

আমি জিল্লু মিয়া। আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটার এবং এসিও বিশেষজ্ঞ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *